New NID Card Apply Online 2026
আপনি যদি নতুন ভোটার হতে চান ভোটার হওয়ার জন্য আপনি আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়েই চাইলে ঘরে বসেই অনলাইনে ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন কমপ্লিট করতে পারবেন। তো আজকে দেখাবো কিভাবে আপনারা কমপ্লিট প্রসেসে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদন করবেন এবং সেটি চাইলে আপনি আপনার হাতে থাকা স্মার্টফোন দিয়ে করতে পারেন অথবা যদি আপনার কম্পিউটার থাকে সেক্ষেত্রে কম্পিউটার দিয়েও করতে পারেন। তো আপনি আবেদন করার পর আপনার আবেদনটি কি করবেন বা আবেদনের সাথে আপনি কি কি ডকুমেন্ট এড করবেন? আপনাকে আবেদন নিয়ে কোথায় যেতে হবে কমপ্লিট প্রসেস।
তো আরেকটি কথা না বললে নয়। সম্প্রতি নির্বাচন কমিশন ইসি নতুন একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। যে প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট বলা হয়েছে যাদের বয়স 16 বছর পূর্ণ হবে তারাই ভোটার হতে পারবে। মানে এখন থেকে চাইলে আপনি 16 বছর বয়সেই জাতীয় পরিচয়পত্র হাতে পেয়ে যাবেন। তো আর কথা না বাড়িয়ে বন্ধুরা চলুন শুরু করি। তো আপনাকে যেটা করতে হবে নতুন ভোটার হওয়ার জন্য প্রথমে অনলাইনে অ্যাপ্লিকেশন করতে হবে। মানে আপনি যদি নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই প্রথমে অনলাইনে আবেদন কমপ্লিট করতে হবে।
নতুন ভোটার হওয়ার জন্য আবেদন 2026
তো অনলাইনে আবেদন করার জন্য আপনি যেটা করবেন service .nidw.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করবেন। তো ওয়েবসাইটটিতে আসার পর আপনাকে যেটা করতে হবে ডান পাশে দেখতে পাচ্ছেন নতুন নিবন্ধনের জন্য আবেদন যে অপশনটি রয়েছে আপনি এই ঘর থেকে আবেদন করুন। এই অপশনে ক্লিক করবেন। তো এই অপশনে ক্লিক করার পর আপনাকে যেটা করতে হবে নতুন একটি একাউন্ট নিবন্ধন করতে হবে। যেই একাউন্ট দিয়ে আপনি পরবর্তী সময়ে আপনার এনআইডি কার্ড সম্পর্কিত মানে জাতীয় পরিচয়পত্র সম্পর্কিত সকল সেবা আপনি ওয়েবসাইট থেকেই নিতে পারবেন। তো এখানে একাউন্ট নিবন্ধন করার জন্য প্রথমে আপনাকে যেটা করতে হবে আপনার পুরো নাম প্রথমে ইংরেজিতে লিখতে হবে।
তো এখানে আপনি যে নামটি লিখবেন ইংরেজিতে এটি অবশ্যই আপনার জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী হতে হবে এবং যদি আপনার কোন শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ থাকে সে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ অনুযায়ী দিবেন। যদি আপনার এসএসসি সার্টিফিকেট থাকে সেক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই এসএসসি সার্টিফিকেট অনুযায়ী এখানটায় ইংরেজিতে নাম দিয়ে দিবেন। তো যেহেতু আমি যার জন্য আবেদনটি করছি তার কোন ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ নেই। শুধুমাত্র জন্মনিবন্ধন দিয়ে আমি তার আবেদনটি শুরু করছি। তো আমি তার জন্মনিবন্ধনে যেভাবে ইংরেজিতে নাম রয়েছে ঠিক সেভাবেই নামটি লিখে দিচ্ছি। এরপর তার নিচের ঘরে আপনি তার জন্ম তারিখটি দিয়ে দিবেন জন্মনিবন্ধন অনুযায়ী।
তো জন্ম তারিখ দেওয়ার পর তার নিচের ঘরে দেখতে পাচ্ছেন একটি ক্যাপসা কোড দেওয়া রয়েছে। আপনাকে যেটা করতে হবে এই ক্যাপচা কোডটি দেখে দেখে তার ঠিক নিচের ঘরে ক্যাপচা কোড দিতে হবে। তো আমি এখান থেকে ক্যাপচা কোডটিকে দেখে দেখে দিয়ে দিচ্ছি। তো ক্যাপচা কোডটি দেওয়া হয়ে গেলে আপনি নিচে এখান থেকে পরবর্তী অপশনে ক্লিক করবেন। তো এরপর আপনাকে যেটা করতে হবে এখান থেকে আপনার ইমেইল এড্রেস অথবা মোবাইল নাম্বার দিতে হবে। তো আপনি চাইলে ইমেইল দিতে পারেন অথবা চাইলে আপনি মোবাইল নাম্বার দিতে পারেন।
তবে মোবাইল নাম্বার দেওয়াটাই বেস্ট। তো আমি মোবাইল নাম্বারটাই দিয়ে দিচ্ছি। তো মোবাইল নাম্বার দেওয়ার জন্য আপনি যেটা করবেন এখানে মোবাইল অপশনে ক্লিক করবেন। মোবাইল অপশনে ক্লিক করার পর আপনি ঠিক এখানটা আপনার মোবাইল নাম্বারটি দিয়ে দিবেন। তো মোবাইল নাম্বার দেওয়ার পর নিচে এখান থেকে ওটিপি পাঠান অপশনে ক্লিক করবেন। ওটিপি পাঠান এই অপশনে ক্লিক করার পর আপনি যে মোবাইল নাম্বার দিয়েছেন সেই মোবাইল নাম্বারে এসএমএস এর মাধ্যমে একটি ওটিপি প্রদান করা হবে। আপনাকে সেই ওটিপিটি আবার এখানটাই দিতে হবে। তো আমি এখান থেকে ওটিপি পাঠান অপশনে ক্লিক করলাম।
তো এরপর আপনাকে যেটা করতে হবে আপনার মোবাইল থেকে এসএমএস দেখে কোডটি দেখে দেখে এখানটা দিয়ে দিতে হবে। তো আমি এখানটা কোডটি দিয়ে দিচ্ছি। তো কোডটি দেওয়ার পর নিচে এখান থেকে পরবর্তী অপশনে ক্লিক করবেন। এরপর আপনাকে যেটা করতে হবে আপনার একাউন্টে নিবন্ধন করার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি ইউজারনেম দিতে হবে। তারপর আপনাকে একটি পাসওয়ার্ড দিতে হবে। তারপর একই পাসওয়ার্ড আপনাকে নিচের ঘরে আবারও দিতে হবে। যাতে করে আপনি পরবর্তীতে এই ওয়েবসাইটে লগইন করে আপনার এনআইডি কার্ড সম্পর্কিত পরবর্তী সেবাগুলো নিতে পারেন এবং আপনার এনআইডি কার্ডের স্ট্যাটাস দেখতে পারেন।
এটি কোন পর্যায়ে আছে, কোন অবস্থানে আছে অথবা এই নিবন্ধনটি আপনার কোন কারণে যদি আপনার এনআইডি কার্ড ভুল হয়ে থাকে ভুল সংশোধন করার জন্যও কিন্তু আপনার এই এককাউন্টটি কাজে লাগতে পারে। তো এখানে আপনি একটি ইউজারনেম দিয়ে দিবেন যেটি ইউনিক হবে। মানে ইউজারনেমটি যেন অন্য কারো সাথে না মিলে। আর যদি কারো সাথে মিলে যায় সেটি অবশ্যই আপনাকে এখানটা দেখিয়ে দিবে। তো আমি এখানটা একটি ইউজারনেম দিয়ে দিচ্ছি। তো ইউজারনেম দেওয়ার পর আপনি নিচে এখান থেকে একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে দিবেন। তো আমি একটি পাসওয়ার্ড দিয়ে দিচ্ছি। তো ঠিক একই পাসওয়ার্ড আপনি তার নিচের ঘরে আবারও দিয়ে দিবেন।
জন্ম নিবন্ধন দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড আবেদন
এরপর আপনি নিচে পরবর্তী অপশনে ক্লিক করবেন। দেখতে পাচ্ছেন বন্ধুরা আমি যে ইউজারনেমটি দিয়েছি এটি কিন্তু এর আগে ব্যবহৃত হয়েছে। দেখতে পাচ্ছেন এখানটা অলরেডি লেখা রয়েছে এই ইউজারনেমটি ব্যবহৃত হয়েছে। মানে আপনাকে এমন একটি ইউজারনেম দিতে হবে যেটি এর আগে কখনো ব্যবহার হয়নি। আপনি এর সাথে আনকমন কিছু সংখ্যা এড করে দিবেন যেগুলি অন্য কারো সাথে না মিলে। তো এরপর আপনি পরবর্তী অপশনে ক্লিক করবেন। তো পরবর্তী অপশনে ক্লিক করার পর এখন এখান থেকে আমাদের মূল কার্যক্রমটি শুরু হবে।
তো এখানে দেখতে পাচ্ছেন আমরা যে জন্ম তারিখ একটু আগে দিয়েছি সেটি কিন্তু শো করছে এবং আমরা যে নামটি দিয়েছিলাম এখানে ইংরেজিতে প্রথমেই সেটি কিন্তু শো করছে এবং আমাদের মোবাইল নাম্বারটি শো করছে। তো এরপর আপনাকে যেটা করতে হবে চলে যেতে হবে প্রোফাইল অপশনে। দেখতে পাচ্ছেন ডান পাশে এখানটা প্রোফাইল অপশন দেখা যাচ্ছে। আপনি এখান থেকে প্রোফাইল অপশনে ক্লিক করবেন। প্রোফাইল অপশনে ক্লিক করার পর প্রথমে এখানটা আপনাকে ব্যক্তিগত তথ্য দিতে হবে। তারপর অন্যান্য তথ্য দিতে হবে। তারপর ঠিকানা দিতে হবে।
তো প্রথমে আপনাকে যেটা করতে হবে ব্যক্তিগত তথ্যের মধ্যে ক্লিক করে ডান পাশে এখান থেকে এডিট অপশনে ক্লিক করতে হবে। তো আমি এখান থেকে এডিট অপশনে ক্লিক করলাম। এডিট অপশনে ক্লিক করার পর প্রথমত হচ্ছে আপনাকে আপনার তথ্য এডিট করতে হবে। তো এখানে একটি কথা বলে নিচ্ছি। আপনার যে অপশনগুলোর সামনে লাল স্টার চিহ্ন রয়েছে আপনাকে অবশ্যই এগুলো পূরণ করতেই হবে। যেগুলো লাল স্টার চিহ্ন রয়েছে এগুলো অবশ্যই পূরণীয়। আপনি যদি লাল স্টার চিহ্ন সম্বলিত অপশনগুলো পূরণ না করেন তাহলে আপনি কিন্তু পরবর্তী ধাপে যেতে পারবেন না। তো এখানে প্রথমে আপনাকে যেটা করতে হবে আপনার নাম বাংলায় লিখতে হবে। তো আমি এখানটা আমার নাম বাংলায় লিখে দিচ্ছি।
তো তারপর দেখতে পাচ্ছেন নাম ইংরেজি অপশনটিতে আমাদের ইংরেজিতে নাম দেওয়া রয়েছে। যেহেতু আমরা প্রথমেই নিবন্ধন করার সময় ইংরেজিতে নাম দিয়েছিলাম সেই নামটি কিন্তু এখানটা শো করেছে। তার মানে আপনি যখন প্রথমে নিবন্ধন করার জন্য ইংরেজিতে নাম লিখবেন সেটি অবশ্যই আপনার জন্ম নিবন্ধন অথবা আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ অনুযায়ী হওয়া লাগবে। না হলে কিন্তু ভুল হয়ে যাবে। তো এরপর আপনি যেটা করবেন তো আপনার লিঙ্গ বাছাই করবেন। তো তারপর আপনি যেটা করবেন আপনার রক্তের গ্রুপ বাছাই করবেন। তারপর আপনার জন্মনিবন্ধন নাম্বারটি দিয়ে দিবেন। তবে অবশ্যই আপনার জন্ম নিবন্ধনটি অনলাইনে থাকতে হবে।
তো আমি এখানটা আমার জন্মনিবন্ধন নাম্বারটি দিয়ে দিচ্ছি। তারপর তার ডান পাশে দেখতে পাচ্ছেন আপনার জন্ম তারিখটি শো করছে। তার মানে আমরা প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করার সময় যে জন্ম তারিখটি দিয়েছিলাম সেটি কিন্তু অটোমেটিকালি এখানটা শো করেছে। তাহলে বুঝা গেল যে আপনি যখনই জন্ম তারিখটি প্রথমে দিবেন অবশ্যই আপনার জন্মনিবন্ধন অথবা এসএসসি সনদ যদি থাকে সে এসএসসি সনদ অনুযায়ী দিবেন। তো এরপর আপনি আপনার জন্মস্থান সিলেক্ট করবেন। আপনার কোন জেলায় জন্মস্থান সেই জেলায় এখান থেকে সিলেক্ট করবেন।
এরপর আপনার জাতীয়তা অটোমেটিক বাংলাদেশে থাকলে বাংলাদেশে থাকবে অথবা যদি আপনি বিদেশ থেকে ভোটার হতে চান সেক্ষেত্রে বিদেশ অপশনে ক্লিক করলে আপনি এখান থেকে বিদেশে কোথায় আপনি জন্মগ্রহণ করেছেন সেটি কিন্তু এখান থেকে দিতে পারবেন। তো যেহেতু আমি বাংলাদেশ থেকে এপ্লাই করছি আমি বাংলাদেশটি সিলেক্ট রাখলাম। এরপর আপনার পিতার তথ্য দিবেন। যদি আপনার পিতা মৃত হয় সেক্ষেত্রে এখানে মৃত অপশনে ক্লিক করবেন। আর যদি আপনার পিতা জীবিত থাকে সেক্ষেত্রে আপনি পিতার তথ্য এখানটা দিয়ে দিবেন। তো প্রথমে পিতার নামটি বাংলায় দিয়ে দিবেন। এরপর পিতার নাম ইংরেজিতে দিয়ে দিবেন।
তো এরপর যদি আপনার পিতার এনআইডি কার্ড থাকে সেক্ষেত্রে পিতার এনআইডি কার্ডের নাম্বারটি দিয়ে দিবেন। তো যেহেতু পিতার এনআইডির সামনে লাল স্টার চিহ্ন নেই। তার মানে আপনি এটা দিলেও দিতে পারেন না দিলেও কোন সমস্যা নেই। তো আমি আপাতত দিলাম না। আপনার যদি পিতার এনআইডি কার্ড থাকে তাহলে অবশ্যই দিয়ে দিবেন। তো এরপর মাতার তথ্য আপনি পূরণ করবেন। তো আপনার মায়ের নাম প্রথমে এখানটা বাংলায় লিখে দিবেন। তো তারপর আপনার মায়ের নাম ডান পাশের ঘরে ইংরেজিতে দিয়ে দিবেন। এরপর তার নিচে ঘরে আপনার মাথার এনআইডি কার্ড নাম্বার দিয়ে দিবেন।
অনলাইনে ভোটার আবেদন
যদি আপনার মায়ের ভোটার আইডি কার্ড থাকে সেক্ষেত্রে আপনার মায়ের ভোটার আইডি কার্ড দেখে দেখে নাম্বারটি এখানটায় দিয়ে দিবেন। আর না দিলেও কোন সমস্যা নাই। তবে যদি থাকে দিয়ে দেওয়া ভালো। আপনি দিয়ে দিবেন। এরপর আপনাকে যেটা করতে হবে নিচে অভিভাবকের তথ্য যে অপশনটি রয়েছে এইখান থেকে আপনাকে একজন অভিভাবকের তথ্য দিতে হবে। যদি আপনি 16 বছরের ভোটার হন মানে অপ্রাপ্ত বয়স্কে ভোটার হতে চান সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই একজন অভিভাবকের তথ্য এখানটা দিতে হবে। আর যদি আপনি 18 বছর পর আবেদন করেন তাহলে আপনার অভিভাবকের তথ্য নাও লাগতে পারে। তো আমি এখানটা একজন অভিভাবকের নাম দিয়ে দিচ্ছি এবং এটি বাংলায় দিবেন যেহেতু বাংলায় চাচ্ছে তারপর তার ডান পাশে অভিভাবকের এনআইডি নাম্বারটি দিয়ে দিবেন। এরপর আপনি নিচে চলে আসবেন। নিচে এখান থেকে দেখতে পাচ্ছেন বৈবাহিক অবস্থা রয়েছে। আপনি যদি বিবাহিত হন সেক্ষেত্রে আপনি এখান থেকে বিবাহিত সিলেক্ট করবেন। বিবাহিত সিলেক্ট করার পর আপনি এখানে আপনার স্ত্রী এগুলো এখানে দেখে দেখে পূরণ করবেন। আর যদি আপনি অবিবাহিত হন সেক্ষেত্রে আপনি এখান থেকে অবিবাহিত অপশনটি সিলেক্ট করবেন। তো আমি এখান থেকে অবিবাহিত অপশনটি সিলেক্ট করে দিলাম।
তো এরপর এগুলো পূরণ করা হয়ে গেলে আপনি একদম উপরে চলে যাবেন। উপরে এসে আপনি এখান থেকে পরবর্তী অপশনে ক্লিক করবেন। তো পরবর্তী অপশনে ক্লিক করার পর আপনাকে এখানটায় আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা দিতে হবে। মানে আপনি কতটুকু পর্যন্ত পড়ালেখা করেছেন সেটি এখানটা দিতে হবে। তো আমি এখান থেকে পঞ্চম শ্রেণী দিলাম। তারপর সে যে পেশায় নিয়োজিত রয়েছে সেই পেশা আমি দিয়ে দিলাম। আপনি যে পেশায় রয়েছেন এখান থেকে যেকোন একটি পেশা সিলেক্ট করে দিবেন। তো এরপর আরো অনেকগুলো অপশন রয়েছে। যদি আপনার দিতে মন চায় দিবেন। আর না দিলেও কোন সমস্যা নেই।
তবে অবশ্যই নিচে এখানটা যে ধর্ম অপশনটি দেখতে পাচ্ছেন আপনাকে ধর্ম সিলেক্ট করতে হবে। তো আমি এখান থেকে ধর্ম দিয়ে দিলাম। মানে লাল স্টার চিহ্ন সম্মলিত সবগুলো আপনাকে পূরণ করতে হবে। যেগুলোতে লাল স্টার চিহ্ন নেই সেগুলো পূরণ না করলে কোন সমস্যা নেই। তো এরপর আপনি যেটা করবেন আবার উপর এখান থেকে পরবর্তী অপশনে ক্লিক করবেন। তো তারপর আপনাকে যেটা করতে হবে আপনি যেই দেশে অবস্থান করছেন বর্তমানে সেই দেশটি এখান থেকে সিলেক্ট করতে হবে। তো এখানে প্রথমে দেখতে পাচ্ছেন আপনার অবস্থানরত দেশের নাম সিলেক্ট করতে বলা হচ্ছে। মানে আপনি বর্তমানে কোন দেশ থেকে আবেদনটি করছেন মানে আপনি কোন দেশ থেকে ভোটার হতে চাচ্ছেন।
তো আমি অবশ্যই এখানে বাংলাদেশ দিব। যেহেতু আমি বাংলাদেশ থেকে ভোটার হতে চাচ্ছি। তো এখান থেকে আমি বাংলাদেশ দিয়ে দিব। যদি আপনি প্রবাসে কোন দেশ থেকে ভোটার হতে চান সেক্ষেত্রে আপনি যে দেশে বর্তমানে অবস্থান করছেন সেই দেশটি এখান থেকে সিলেক্ট করে দিবেন। তো আমি এখান থেকে বাংলাদেশ দিলাম। বাংলাদেশ দেওয়ার পর আপনার ভোটার ঠিকানা যেটি রয়েছে আপনি ভোটার ঠিকানাটি দিয়ে দিবেন। প্রথমে আপনাকে বর্তমান ঠিকানায় দিতে বলা হবে। আপনি বর্তমানে যে ঠিকানা রয়েছেন বর্তমান ঠিকানা এখান থেকে দিয়ে দিবেন। তো আমি দিয়ে দিচ্ছি।
এনআইডি কার্ড আবেদন
তো এগুলো আপনি অটোমেটিক্যালি সিলেক্ট করবেন। এগুলো অটোমেটিকালি আপনার গ্রামের নাম বা আপনার উপজেলা জেলার নাম শো করবে। কিন্তু এখানে যে বাসা বা হোল্ডিং নাম্বার রয়েছে এটা আপনাকে লিখে দিতে হবে। যদি আপনার বাসার হোল্ডিং নাম্বার থাকে সেক্ষেত্রে আপনি এখানটা হোল্ডিং নাম্বার দিবেন। আর যদি আপনি গ্রামে বসবাস করেন আপনার যদি হোল্ডিং নাম্বার না থাকে সেক্ষেত্রে আপনি আপনার বাড়ির নাম এখানটায় লিখে দিবেন। তো এগুলো পূরণ করা হয়ে গেলে আপনি নিচে চলে আসবেন। এরপর আপনাকে স্থায়ী ঠিকানাটি পূরণ করতে হবে। তো আমি এখান থেকে স্থায়ী ঠিকানা একইভাবে দিয়ে দিচ্ছি।
আবারও একইভাবে বাসা বা হোল্ডিং নাম্বারটি এখানটা দিয়ে দিবেন। তো আপনার বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা যাতে করে কোন ধরনের ভুল না হয় ঠিকঠাক মত দিবেন। দেওয়ার পর আপনি উপরে চলে যাবেন। এরপর ডান পাশে এখান থেকে পরবর্তী অপশনে ক্লিক করবেন। তো এরপর আপনাকে যেটা করতে হবে আপনি যেই জায়গায় থেকে মানে যেই স্থানে থেকে ভোটার হতে চাচ্ছেন সেই ঠিকানাটি এখানটা দিতে হবে। যদি আপনি বর্তমান ঠিকানায় থেকে ভোটার হতে চান সেক্ষেত্রে বর্তমানের মধ্যে ক্লিক করবেন এখান থেকে। আর যদি আপনি স্থায়ী ঠিকানায় থেকে ভোটার হতে চান সেক্ষেত্রে আপনি এখান থেকে স্থায়ী ঠিকানায় ক্লিক করবেন।
তো যেহেতু আমি স্থায়ী ঠিকানাতে ভোটার হব সেক্ষেত্রে আমি এখান থেকে স্থায়ী ঠিকানাতে ক্লিক করলাম। মানে চেকমার্ক দিয়ে দিলাম। আর যদি আপনি বর্তমান ঠিকানায় ভোটার হতে চান মানে বর্তমান যে অবস্থানে আছেন যে জায়গায় আছেন সেই জায়গায় ভোটার হতে চান সেক্ষেত্রে আপনি বর্তমানে দিতে পারেন। তো আমি স্থায়ীটা রাখলাম। রাখার পর এখান থেকে আপনি যেটা করবেন আপনি যেই এরিয়াতে ভোটার হবেন আপনাকে আপনার ভোটার এরিয়া নির্বাচন করতে হবে। তো আমি এখান থেকে আমার ভোটার এরিয়া নির্বাচন করে দিচ্ছি। তো ভোটার এরিয়া নির্বাচন করার পর আপনি একদম উপরে চলে যাবেন।
উপরে গিয়ে এখান থেকে আবারো পরবর্তী অপশনে ক্লিক করবেন। তো পরবর্তী অপশনে ক্লিক করার পর এখানে দেখতে পাচ্ছেন লেখা রয়েছে কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই। এই আবেদনটি করার জন্য কোন কাগজপত্রের প্রয়োজন নেই। মানে আপনি আবেদন করার জন্য আপনার কোন কাগজপত্র লাগবে না। তো এরপর আপনি আবারো পরবর্তী অপশনে ক্লিক করবেন। তো এরপর যেটা রয়েছে আপনার পরিবর্তনগুলো নিশ্চিত করে সাবমিট করুন। মানে আপনি যদি কোন কারণে কোন কিছু পরিবর্তন করতে চান তাহলে আপনি এখান থেকে পেছনে গিয়ে পরিবর্তন করতে পারেন।
অথবা যদি আপনি মনে করেন যে আপনার সবকিছু ঠিকঠাক রয়েছে এরপর আপনি এখান থেকে সাবমিট অপশনে ক্লিক করবেন। তো আমার যেহেতু সবকিছু ঠিকঠাক রয়েছে আমি চেক করে নিয়েছি সেজন্য আমি এখান থেকে সাবমিট অপশনে ক্লিক করলাম। এরপর দেখতে পাচ্ছেন আমরা সাবমিট করার সাথে সাথে আমরা এতক্ষণ যা কিছু ফিলাপ করেছি সবকিছু কিন্তু এখানটায় শো করছে। আপনি যে তথ্যগুলো এখানটা দিয়েছেন সবকিছু কিন্তু এখানটায় শো করেছে। এরপর আপনি যেটা করবেন আপনার অপ্লিকেশনটিকে ডাউনলোড করে নিবেন। তো আমি এখান থেকে অ্যাপ্লিকেশনটিকে ডাউনলোড করে নিচ্ছি।
যেহেতু আমাদের এই অ্যাপ্লিকেশনটিকে ডাউনলোড করে প্রিন্ট আউট করতে হবে। তো আমি এখান থেকে ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করলাম। তো দেখতে পাচ্ছেন এখানটা আমরা এতক্ষণ যা কিছু পূরণ করেছি সবকিছু কিন্তু এখানটা শো করেছে। তো এখানটা আবেদনকারীর নাম, জন্ম তারিখ, জন্মনিবন্ধন নাম্বার সবকিছুই কিন্তু শো করেছে। তো এরপর আপনি নিচে চলে আসবেন একদম তিন নাম্বার পেইজে। তিন নাম্বার পেইজে আপনার একটু কাজ আছে। প্রথমে আপনাকে যেটা করতে হবে এখানটা তারিখ দিতে হবে এবং তার ডান পাশে আপনাকে স্বাক্ষর করতে হবে। তো তারপর আপনাকে যেটা করতে হবে আপনার একজন শনাক্তকারী লাগবে।
অনলাইনে ভোটার আবেদন 2026
তো সেই শনাক্তকারী হিসেবে আপনি আপনার স্থানীয় মেম্বার অথবা চেয়ারম্যানের NID কার্ড নাম্বার দিয়ে দিবেন এবং তাদের একটি স্বাক্ষর নিয়ে নিবেন এখানটায়। তো এগুলো করার পর আপনার আবেদনটি সম্পূর্ণ কমপ্লিট। তো এরপর বলছি আপনার এই আবেদনের সাথে কি কি করতে হবে। তো এরপর আপনার যে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রগুলো রয়েছে সে কাগজপত্রগুলো আপনার আবেদন পত্রের সাথে এটাচ করতে হবে। তো প্রয়োজনীয় কাগজপত্রগুলো কি কি? প্রথমত হচ্ছে আপনার জন্মনিবন্ধনের কপি। এরপর হচ্ছে আপনার পিতা অথবা মাতার NID কার্ডের কপি। এরপর হচ্ছে আপনার বাসার ইউটিলিটি বিলের যেকোন একটি কপি।
মানে বিদ্যুৎ বিল, গ্যাস বিল, পানির বিল এই ধরনের যেকোন একটি কপি। এরপর প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আপনার যে ভাষায় বসবাস করেন সেই ভাষার চকিদারে যে ট্যাক্স রয়েছে মানে হোল্ডিং ট্যাক্স রয়েছে আপনার সে হোল্ডিং ট্যাক্স রশিদের একটি ফটোকপি লাগতে পারে আপনি এটি সংগ্রহ করে রাখবেন। তো এরপর আপনার যে ডকুমেন্টটি লাগবে সেটি হচ্ছে নাগরিক সনদপত্র। এটি আপনি যদি ইউনিয়নের বাসিন্দা হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে নিবেন। অথবা যদি আপনি পৌরসভা অথবা সিটি কর্পোরেশনের বাসিন্দা হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে আপনি সেখান থেকে একটি নাগরিক সনদপত্র নিয়ে নিবেন। তো এরপর আপনি যদি মহিলা হয়ে থাকেন এবং আপনি যদি
স্বামীর বাড়িতে ভোটার হতে চান সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনার কাবির নাম একটি ফটোকপি লাগবে ঠিকানা প্রমাণের জন্য। এটি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে অনেক ক্ষেত্রে লাগে আবার অনেক ক্ষেত্রে লাগে না। তারপর আপনি এটি সংগ্রহ করে রাখবেন। তো এরপর আপনার যদি শিক্ষাগত যোগ্যতার কোন সনদ থাকে সেক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ দিয়ে দিবেন। আপনি মোটামুটি এই ডকুমেন্টগুলি আপনি আপনার প্রিন্টেড ফর্মের সাথে এটাচ করে আপনি চলে যাবেন আপনার নির্বাচন কমিশন অফিসে। যদি আপনি জেলায় বসবাস করেন সেক্ষেত্রে জেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে।
অথবা যদি আপনি উপজেলায় বসবাস করেন সেক্ষেত্রে আপনার উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে গিয়ে আপনি একদিনের মধ্যেই কাগজপত্রগুলো জমা দিয়ে ভোটার কার্যক্রম কমপ্লিট করে মানে আপনার বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট বা ছবি তোলার টোটাল কাজ সম্পন্ন করে ঘরে ফিরতে পারবেন।