E-Passport Passport Needed Documents 2026 – E-Passport করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে?

E-Passport Passport Needed Documents 2026 – E-Passport করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে?
4.8/5 - (5 votes)

E-Passport Passport Needed Documents 2026 – E-Passport করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে?

আসসালামু আলাইকুম। E-Passport করতে গেলে কি কি কাগজপত্র জমা দিতে হবে বা কি কি কাগজপত্র জমা দিলে আপনার এই পাসপোর্ট আবেদনটা বাতিল হবে না আজকের আমরা সে সম্পর্কে জানবো। পাসপোর্ট করতে গেলে সর্বপ্রথম আমাদের যে জিনিসটা লাগবে সেটা হচ্ছে E-Passport করার জন্য অনলাইনে একটা আবেদন করতে হবে। আবেদনের লিংকটা https://epassport,gov.bd। এ আবেদনটা হচ্ছে ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট থেকে যেয়ে আমাদের অনলাইনে একটা আবেদন করতে হবে। এখন অনলাইন আবেদন করতে আর দালাল ধরতে হবে না।

ঘরে বসে নিজেই নিজের E-Passport আবেদন

আপনি চাইলে ঘরে বসে নিজেই নিজের কম্পিউটারের মাধ্যমে E-Passport জন্য আবেদন করতে পারবেন। যখন আপনি আবেদন করে ফেলবেন তখন আপনার তিনটা কাগজ চলে আসবে। একটা হচ্ছে আবেদনের কপি। দুই নাম্বার হচ্ছে সামারি কপি। তিন নাম্বার হচ্ছে আপনি যে পেমেন্টটা করছেন আবেদন করার পরে সে পেমেন্টের রশিদ। পরের ধাপে হচ্ছে আমাদের একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে। সেটা হচ্ছে এই পাসপোর্টের জন্য আবেদনটা কে করবে? প্রাপ্ত বয়স্ক নাকি শিশু নাকি সরকারি চাকরিজীবী? যদি প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে থাকে তাহলে হচ্ছে এনআইডি কার্ডের ফটোকপি দরকার।

E-Passport করার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আর যদি শিশু হয়ে থাকে তাহলে জন্মনিবন্ধনের অনলাইন কপি দরকার। আবার অনেকের হয়তোবা 18 বছর হয়ে গেছে কিন্তু সে NID কার্ডের কপি পায় নাই। সে চাইলে জন্মনিবন্ধনের কপি দিয়েও হচ্ছে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে পারবে। তারপরের ধাপে হচ্ছে লাগবে নাগরিক সনদপত্র। এটা হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আপনাকে একটা চারিত্রিক সনদ বা নাগরিক সনদপত্র দিবে। আর যদি হচ্ছে আপনি শহর লেভেলে থাকেন তাহলে হচ্ছে আপনাদের কাউন্সিলর অফিস থেকে এই নাগরিক সনদপত্রটা আপনাকে দিবে। তারপরের ধাপে হচ্ছে আপনি যদি বিবাহ করে থাকেন তাহলে আপনার সেই বিবাহের একটা কাবিন। আর বিবাহ না করলে এটার কোন প্রয়োজন নেই। তারপরের ধাপে হচ্ছে বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি। এইখানে একটা টেনশন আপনারা করেন যে হয়তোবা আপনার নামে সে বিদ্যুৎ বিলের কপিটা নাই। এটার কোন সমস্যা না। এটা হচ্ছে আপনি যে জায়গাতে থাকেন বা যে জায়গায় থাকতেছেন সেইখানের হচ্ছে একটা বিদ্যুৎ বিলের কপি দিলেও হবে। সেটা হয়তোবা যদি আপনি কোন ভাড়াভাষায় থাকেন সে ভাড়াভাষার বিলের কপি দিলেও হবে। এটা হচ্ছে মেইনত ঠিকানা দেওয়ার জন্য।

E-Passport করতে কি কি ডকুমেন্ট লাগে?

তারপরের ধাপে লাগবে হচ্ছে পেশা প্রমাণের জন্য একটা পেশা প্রমাণপত্র। মানে সেটা হচ্ছে পেশার প্রমাণপত্র বা এনআইডি কার্ড বা যেকোন কিছু আপনার ওখানে যেখানে চাকরিজরত অবস্থায় আছেন সেখানের একটা সারপত্র বা প্রমাণপত্র আপনার দিলেই হবে। আর আপনি যদি বেকার হয়ে থাকেন তাহলে হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বেকারত্ব সনদপত্র দিবে। আপনি চাইলেই সেখান থেকে বেকারত্ব সনদপত্র নিতে পারেন। আমাদের একটা জিনিস মনে রাখতে হবে সেটা হচ্ছে যদি কেউ সরকারি চাকরি করেন তার জন্য হচ্ছে জিও অথবা এনওসি এর যেকোন একটা লাগবে। এটা যারা সরকারি চাকরি করেন তারা ভালো বোঝেন যে কোন ক্ষেত্রে জিও দরকার কোন ক্ষেত্রে এনএসসি দরকার। তো সেটার কাগজটা আমাদের সংরক্ষণ করতে হবে।

এবার আসি শিশুদের ক্ষেত্রে। শিশুদের ক্ষেত্রে E-Passport করতে গেলে পিতা-মাতার এনআইডি কার্ড লাগবে এবং সেই শিশুর থ্রি আর সাইজের ছবি দরকার এবং সে ছবিটা হচ্ছে ব্যাকগ্রাউন্ডটা গ্রে কালারের হতে হবে এবং ল্যাপ প্রিন্ট হতে হবে। তো এইসব কাগজপত্র ম্যানেজ করে আমরা সবকিছু নিয়ে একত্রে যখন আমরা পাসপোর্ট অফিসে যাব বা আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে যাব। আমাদের যে যে জেলায় E-Passport অফিস আছে সে অফিসে যাব। অফিসে গিয়ে এই কাগজপত্রগুলো জমা দিলে আমাদের পাসপোর্টের আবেদনটা বৈধ হবে বা আমরা পাসপোর্টটা খুব ইজিলি পাবো।

FAQ

10 বছর মেয়াদি E-Passport করতে কত টাকা লাগে ২০২৬?

পাসপোর্ট করতে কত টাকা লাগে

৬৪ পৃষ্ঠার পাঁচ বছর মেয়াদি পাসপোর্টের জন্য সাধারণ ফি ৬ হাজার ৩২৫ টাকা, জরুরি ফি হাজার ৬২৫ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ১২ হাজার ৭৫ টাকা এবং ১০ বছর মেয়াদি সাধারণ ফি হাজার ৫০ টাকা, জরুরি ফি ১০ হাজার ৩৫০ টাকা ও অতীব জরুরি ফি ১৩ হাজার ৮০০ টাকা। সব ফির সঙ্গে যুক্ত হবে ১৫ শতাংশ ভ্যাট।

Passport Cost Koto Taka Lage 2026

আপনি বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকলে তিন ধরনের পাসপোর্ট দেখতে পারবেন। একটা নীল কালার পাসপোর্ট, একটি লাল কালার পাসপোর্ট আরেকটা সবুজ পাসপোর্ট। যেটা জনসাধারণ আপনার আমার আমজনতার সকলের। তবে আপনি দেশে থাকা অবস্থায় যদি পাসপোর্ট করেন সেক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফি ব্যাটসহ একরকম। বিদেশে থাকা অবস্থায় যদি পাসপোর্ট করেন সেক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ফি কিন্তু আরেকরকম। আই মিন প্রবাসী শ্রমিক বা স্টুডেন্ট শ্রেণীর মানুষদের জন্য বিদেশে থাকা অবস্থায় পাসপোর্ট করলে কস্টিং খুবই কম। বিস্তারিত বিষয়গুলো আমরা দেখে আসি। more

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Category
Shop
Home
Wishlist
Account
×