Birth Certificate Application Online BD 2026 – জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম

Birth Certificate Application Online BD 2026 – জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম
4.7/5 - (3 votes)

Birth Certificate Application Online BD 2026 – জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম

তো আমরা সকলেই জানি Birth Certificate ( জন্মনিবন্ধন ) মানেই হচ্ছে কিন্তু গভমেন্টের কাছে আপনার জন্মের তথ্যগুলো নিবন্ধন করা। হ্যাঁ। তো সেটা কিন্তু ভবিষ্যতে আমাদের স্কুলে ভর্তি মানে স্কুল ভর্তির জন্য বা এনআইডি করার জন্য বা পাসপোর্ট করার জন্য কিন্তু প্রয়োজন পড়ে। তো ফারস্টেই জেনে নেই জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট করতে কি কি ডকুমেন্ট আপনার কালেক্ট করতে হবে ফারস্টে।

কারণ ডকুমেন্টগুলো ছাড়া আপনি Birth Certificate ( জন্মনিবন্ধন ) করতে পারবেন না। ডকুমেন্টগুলো একচুয়ালি বয়সের উপর ডিপেন্ড করে একটু ভিন্নতা আছে। লাইক যাদের বয়স একদম শূন্য থেকে 45 দিন তাদের কি ডকুমেন্ট লাগবে সেটা ফ্রেস্টে জেনে নেয়া যাক। তো বয়স শূন্য থেকে 45 দিন হলে ফ্রেস্টে যে ডকুমেন্টটা লাগবে সেটা হচ্ছে ইপিআই বা টিকার কার্ড। হ্যাঁ। অথবা হাসপাতালের একটা ছাড়পত্র। যদি তার জন্ম হাসপাতালে হয়ে থাকে। পিতা-মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সার্টিফিকেট সহ জাতীয় পরিচয়পত্রের কার্ড লাগবে। বাসার হোল্ডিং নাম্বার এবং হোল্ডিং ট্যাক্স পরিষদের রশিদের ফটোকপি লাগবে।

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম

আবেদনকারী বা অভিভাবকের মোবাইল নাম্বার লাগবে। ফর্মের সাথে এক কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি লাগবে। আবেদনকারীর বয়স যদি শূন্য থেকে 45 এর উপরে হয়ে যায় মানে 45 থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে থাকে মানে 45 দিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে থাকে তাহলে এই যে ডকুমেন্টগুলো বললাম ফারস্টে এই ডকুমেন্টগুলোর সাথে আরেকটা ডকুমেন্ট লাগবে। যেটা হচ্ছে একজন স্বাস্থ্যকর্মীর কাছ থেকে একটা প্রত্যায়ন পত্র লাগবে। আর বাকি ডকুমেন্টগুলো মানে জিরো থেকে 45 ডেজ এর মধ্যে যেগুলো ছিল ওগুলো তো লাগবেই। সাথে স্বাস্থ্যকর্মীর একটা প্রত্যাণপত্র লাগবে। এছাড়া যাদের বয়স পাঁচ বছরের বেশি থাকতে হবে। কিন্তু তার জন্ম যদি 2001 এর জানুয়ারির 1 তারিখের পরে হয় তাহলে অবশ্যই অবশ্যই বাবা-মায়ের অনলাইন জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট তো থাকা লাগবেই এনআইডি কার্ডও থাকা লাগবে। যদি না থাকে সেক্ষেত্রে করে নিতে হবে। আর যদি এমন হয় কারো বাবা-মা মৃত হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে তাদের মৃত নিবন্ধন সার্টিফিকেটটা লাগবে। মানে মৃত সনদটা লাগবে। আর যদি মৃত সনদ না থাকে তাহলে ফার্স্টে জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেট করতে হবে।

Birth Certificate Application Online BD 2026 – জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম
Birth Certificate Application Online BD 2026 – জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম

 

তারপরে মৃত সনদটা করে নিতে করে নিয়ে তারপরে হচ্ছে Birth Certificate ( জন্মনিবন্ধন ) সার্টিফিকেটের জন্য এপ্লাই করতে হবে মানে সন্তানের জন্মনিবন্ধনের জন্য এপ্লাই করতে হবে এই হচ্ছে একটা উল্লেখযোগ্য কথা যেটা আপনার অবশ্যই জানা লাগবে যদি জন্ম 2001 এর জানুয়ারির এক তারিখের পরে হয় যার জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেটে করবেন তার আর বাকি ডকুমেন্টগুলো একই মানে যেটা ছিল পিতামাতার এনআইডি কার্ডের কথা তো বললামই আর জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেটের কথা বললাম পিতামাতার এছাড়া বাসার হোল্ডিং ট্যাক্সের ডকুমেন্টটা তারপরে হচ্ছে পাসপোর্ট সাইজ ছবিটা মোবাইল নাম্বারটা এগুলো তো কমন এগুলো সবসময় লাগবে হ্যা এবার আসি জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেটের জন্য আপনি এপ্লাইটা কিভাবে করবেন কোথায় যে এপ্লাই করবেন এই যে এখন স্ক্রিনে দেখতে পাচ্ছেন এই যে ওয়েবসাইটটাবিডিএসgovবিd এই ওয়েবসাইটে আপনি চলে আসবেন এই ওয়েবসাইটে এসে এখানে এখানে হোভার করলেই দেখবেন জন্মনিবন্ধন আবেদন একটা অপশন আছে হ্যাঁ এখানে যাবেন এখানে যাওয়ার পরে আপনি কি আপনার জন্মস্থান থেকে করতে চাচ্ছেন নাকি আপনার স্থায়ী ঠিকানা দেখে করতে চাচ্ছেন দুইটা জায়গা থেকে করা যায় আপনি সেটা অনুযায়ী আপনি জাস্ট পরবর্তীতে ক্লিক করবেন। আর দেশের বাইরে থেকে হলে এখানে ক্লিক করবেন। তো আপনি কোন দেশে আছেন সেটা সিলেক্ট করে আপনি নেক্সটে যাবেন। আর দেশে থাকলে এটা সিলেক্ট করার কোন প্রয়োজন নাই।

Birth Certificate Application Online BD 2026

আপনি এখানে জাস্ট পরবর্তীতে যাবেন। তারপরে এখানে আপনার নামের প্রথম অংশ বাংলায়। নামের শেষ অংশ বাংলায় তারপরে নামের প্রথম অংশ ইংরেজিতে। শেষ অংশ ইংরেজিতে জন্ম তারিখটা যেটা আপনার ওই যে টিকা কার্ডে আছে বা সার্টিফিকেটে আছে সেগুলো দিবেন। পিতা-মাতার কততম সন্তান সেটা দিবেন। তারপরে হচ্ছে আপনার জেন্ডার লিবেন। তারপরে হচ্ছে দেশ বিভাগ এগুলো সবগুলো রেডমার্কগুলো অবশ্যই ফিলাপ করে দিতে হবে। করে আপনি নেক্সটে যাবেন। তো এই ফর্মটা মানে অনলাইনে কিভাবে ফিলাপ করতে হয় এটা নিয়ে আমার অলরেডি ভিডিও আছে। আমি আর এই ভিডিও ডেসক্রিপশনে দিয়ে রাখবো। আপনি চাইলে দেখে নিতে পারেন। এই ভিডিওতে যদি প্রত্যেকটা স্টেপ দেখাই ভিডিওটা লম্বা হয়ে যাবে। আপনি বিরক্ত ফিল করবেন। তো যাদের প্রয়োজন আছে ওই ভিডিওটা দেখতে পারেন। ভিডিওর ডেসক্রিপশনে থাকবে। এছাড়া এই ভিডিওর লাস্টেও এন্ড স্ক্রিনে পেয়ে যাবেন। তো এখানে হচ্ছে যেগুললা বললাম অনলাইনে ফর্মটা ফিলাপ করবেন। ফিলাপ করার পরে আপনি হচ্ছে আপনার ওই যে ডকুমেন্টগুলোর কথা বললাম ওই ডকুমেন্টগুলো স্ক্যান করে আপনি এখানে আপলোড করতে পারবেন। আমি ওই ভিডিওতে দেখিয়েছি কিভাবে আপলোড করতে হয়। তারপরে হচ্ছে আপনি এখান থেকেই একটা পিডিএফ কপি পেয়ে যাবেন।

সেটা আপনি ডাউনলোড করবেন এবং ডাউনলোড করে আপনার যে মেইন পেপারস গুলো আছে যে ডকুমেন্টগুলো ওগুলো তো নিবেনই সাথে ফটোকপিও নিবেন এবং এখানে অনলাইনে এপ্লাই করার পরে যে ডকুমেন্টটা আপনি পাবেন সেটা সহ আপনি আপনার নিকটস্থ যে ইউনিয়ন পরিষদ আছে অথবা পৌরসভা আছে ওখানে যেয়ে আপনি হচ্ছে জমা দিবেন। ওনাদের কাছে জমা দেওয়ার পরে একটা ফি লাগবে অবশ্যই কত টাকা লাগে সেটাও বলে দেই। যদি বয়স শূন্য থেকে 45 দিনের মধ্যে হয় তাহলে একটা টাকাও লাগবে না। সেক্ষেত্রে আপনি বকশিশ দিতে পারেন সেটা আলাদা ইস্যু। বাট ফরমালি মানে সরকারি কোন ফি নাই।

আর যাদের বয়স হচ্ছে 45 দিনের বেশি বাট পাঁচ বছরের কম তাদের জন্য একটা ছোট ফি আছে 25 টাকা। আর যাদের বয়স হচ্ছে পাঁচ বছরের বেশি সেটা 50 টাকা। বাট এত কমে আপনি করতে পারবে না। যেটা রিয়েলিটি আপনাকে আরেকটু বেশি টাকা দিতে হবে। হয়তো দুই 300 টাকা দেয়া লাগতে পারে। বাট সরকারি ফি ওইটা যেটা বললাম ফিটা দেওয়ার পরে এই ডকুমেন্টগুলো আপনি ওনাদের কাছে দিয়ে আসলে দুই থেকে সাত কর্মদিবসের মধ্যে আপনার জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেটটা ওনাদের কাছ থেকে আপনি কালেক্ট করতে পারবেন। তবে একটা জিনিস অবশ্যই মনে রাখবেন আপনি যে অনলাইনে যে ফর্মটা ফিলাপ করবেন ফিলাপ করার সময় অবশ্যই আপনার সবকিছু একুরেট আছে কিনা কোথাও ভুল আছে কিনা সেটা দেখে নিবেন। আদারওয়াইজ আপনি কিন্তু আবার সংশোধনের ঝামেলায় পড়ে যাবেন। আশা করি সংশোধনের ঝামেলায় আপনি পড়তে চাচ্ছেন না। সো একটু কেয়ারফুলি ফর্মটা ফিলাপ করবেন। আর আপনি যদি হ্যাসেল নিতে না চাচ্ছেন, অনলাইনে ফর্ম ফিলাপ করতে না চাচ্ছেন, আপনি কিন্তু আপনার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে বা উপজেলা থেকে কিন্তু ওনাদের মাধ্যমেও করাইতে পারেন। ওনারাও এটা ফিলাপ করে দিবে। কিছু টাকা নিবে বাট করে দিবে। এবং যদি ওনাদের মাধ্যমে করান তাহলে অবশ্যই খেয়াল রাখবেন যেন কোথাও ভুল না হয়।

Birth certificate application online bd pdf

বিশেষ করে এই যে নামের বানান, ডেট অফ বার্থ এই দুইটা জিনিস যেন কোথাও ভুল না হয়। বাবার নামের বানান মানে নিজের নাম, বাবার নাম, মায়ের নাম, তারপরে হচ্ছে জন্ম তারিখ। এই কয়েকটা ইনফরমেশন যেন কষনো ভুল না হয়। কারণ এগুলো খুব ইম্পর্টেন্ট। এগুলো দিয়েই কিন্তু জন্ম নিরবন্ধন সার্টিফিকেট থেকে কিন্তু এনআইডি হবে, পাসপোর্ট হবে। তো এগুলো যেন ভুল না হয়। কারণ এটা ভুল হলে নেক্সটও ভুল হবে। সো এই জিনিসটা একটু কেয়ারফুলি করতে হবে যেন এখানে আপনি কোন ভুলের মধ্যে দিয়ে না যান। তো আশা করি বুঝতে পারছেন জন্মনিবন্ধন সার্টিফিকেটের জন্য কি কি ডকুমেন্ট লাগবে কোন ওয়েবসাইটে যাবেন কি কি কত টাকা দিতে হবে এবং আল্টিমেটলি কোথায় যেয়ে জমা দিয়ে আপনি Birth Certificate ( জন্মনিবন্ধন ) সার্টিফিকেটটা কালেক্ট করতে পারবেন।

One Response

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Category
Shop
Home
Wishlist
Account
×