Age 16 years NID – বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হলে নাগরিকদের এনআইডি দেয়ার সিদ্ধান্ত ইসির
বয়স 16 বছর পূর্ণ হলে নাগরিকদের জাতীয় পরিচয়পত্র এনআইডি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। রবিবার এ বিষয়ে ইসির এনআইডি অনুরূপ বিভাগ পরিপত্র জারি করেছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে আবেদনের তারিখে যেসব বাংলাদেশী নাগরিকের বয়স 16 বা 17 বছর পূর্ণ হয়েছে বা হবে তারা নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। নির্বাচন কমিশনের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী দেশে ভোটার সংখ্যা 12 কোটি 77 লাখ 11793 জন।
Age 16 years NID 2026
জাতীয় পরিচয়পত্র বা NID ইতিমধ্যে পরিচয়পত্র নয়; এটি বরাদ্দ সেবার মূল চাবিকাঠি হয়েছে। এনআইডিতে ব্যাংক একাউন্ট খোলা, মোবাইল সিম নিবন্ধন, পাসপোর্ট এপ্লিকেশন, সরকারি ভাতা বা অনলাইন সেবায় প্রবেশ এর টানা যেকোনো কিছুই অসাধারণ নয়। সম্ভবত, ১৬ বছর পূর্ণ হওয়ার পর এনআইডি দেওয়ার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের অনুশীলন এক্সপোজিশন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগ্রহবড়াবড় হতে যেতে পারে।
Age 16 years NID – বয়স ১৬ বছর নাগরিকদের এনআইডি ?
আতমুহূর্তে ১৮ বছর হতেই এনআইডি-উত্থান করা হয়েছে। তবে ১৬ বছর হতেই তারা এনআইডি ডাটাবেজে অন্তর্ভুক্ত করার কল্পনা প্রশস্ত করা হয়েছে। ”প্রি-রিজিস্টার্ড” প্রোগ্রামটি ভবিষ্যৎবাদী – খাঁচা ভোটার নিবন্ধন – নিয়ে এই উদ্যোগের লক্ষ্য সাক্ষাত্কার করা পরিকল্পনা যাতে ১৬ বছরের দায়িত্বপূর্ণ কিশোর, কিশোরীরা প্রাথমিকভাবে এনআইডি-র সভিল তথ্যতে প্রিরাজিস্টার্ড বা এনআইডি প্রাপ্ত করলে একটি। নাগরিক হিসেবে তাদের রেজিস্ট্রেশন হয়ে গেলে ১৮.
বয়স ১৬ বছর নাগরিকদের এনআইডি
১৬ বছর বয়সসীমা বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মকে ডিজিটাল পরিচয়ের আওতায় আনার জন্য জাতীয় পরিচয়পত্র একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হবে। ১৬ বছর বয়স থেকেই যদি জাতীয় পরিচয়পত্র নিশ্চিত করা হয়, তাহলে ভবিষ্যতে সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরণের পরিষেবা পাওয়ার নতুন সুযোগ আরও সহজলভ্য হবে। পাশাপাশি, ভোটার তালিকা এবং নাগরিক হালনাগাদ প্রক্রিয়াও দ্রুত এবং নির্ভুল হবে। পরিশেষে, সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হলে, দেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থা আরও আধুনিক এবং প্রযুক্তিনির্ভর হবে। এখন কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এবং কার্যকর বাস্তবায়নের অপেক্ষা।
One Response