Process of becoming a National ID Card – হালনাগাদে ভোটার হতে লাগবে ৪ টি কাগজ
আপনি যদি বাংলাদেশের নাগরিক হয়ে থাকেন এবং আপনার বয়স যদি 18 বছর পূর্ণ হয় তাহলে আপনি চাইলেই এখনই ভোটার হতে পারবেন।
বাংলাদেশে ভোটার হওয়ার কার্যক্রমটি সবসময় চলমান থাকে। যদি বাংলাদেশী কোন নাগরিকের 18 বছর পূর্ণ হয় মানে যেদিনই আপনার 18 বছর পূর্ণ হবে আপনি ওইদিনই চাইলে ভোটার হতে পারবেন। যেহেতু নির্বাচন কমিশন ভোটার নিবন্ধনের কার্যক্রমটি সারা বছরই চলমান রেখেছে।
যে বাংলাদেশের নাগরিকের যখনই 18 বছর পূর্ণ হবে সে নাগরিক চাইলে তখনই ভোটার হতে পারবে। আপনারা হয়তো অনেকেই অবগত আছেন যে গত জানুয়ারি মাসেও ভোটার হালনাকাগাদের কার্যক্রমটি সম্পন্ন করেছে সরকার।
হালনাগাদে ভোটার হতে লাগবে ৪ টি কাগজ
হালনাগাদে ভোটার হতে লাগবে ৪ টি কাগজ
তো সে সময় অনেকে কাগজপত্রের জটিলতার কারণে অথবা বয়স সম্পন্ন না হওয়ার কারণে ভোটার হতে পারেনি।
তো আপনি চাইলে এখনই ভোটার হতে পারবেন। তো মূল বিষয় হচ্ছে আপনি ভোটার হতে গেলে আপনার কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন হবে। এই বিষয়টি নিয়ে কিন্তু আসলে আমরা অনেকে একটু জটিলতায় পড়ি। আমরা অনেকেই কিন্তু জানি না যে নতুন ভোটার হতে গেলে আমাদের কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন হবে। Process of becoming a National ID Card
ধরে নিলাম যে আপনার 18 বছর পূর্ণ হয়েছে।
এখন আপনি ভোটার হতে চাচ্ছেন।
কিন্তু ভোটার হতে গেলে নিয়ম অনুযায়ী আপনাকে কিছু কাগজপত্র দাখিল করতে হবে।
আর এখন আমি আপনাদেরকে বলব আপনি নতুন ভোটার হতে গেলে আপনার কি কি যোগ্যতা লাগবে মানে আপনার কি কি কাগজপত্র লাগবে। প্রথমত হচ্ছে ভোটার হতে গেলে আপনার অবশ্যই 18 বছর পূর্ণ হতে হবে। এবং এরপর আপনাকে যেটা করতে হবে প্রয়োজনীয় কিছু ডকুমেন্ট যে ডকুমেন্টগুলোর কথা আমি একটু পরে বলছি সেই ডকুমেন্টগুলো রেডি করে আপনাকে নির্বাচন কমিশন অফিসের ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করতে হবে এবং সেই আবেদনপত্রের সাথে আপনার সেই প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলো একসাথ করে আপনাকে চলে যেতে হবে আপনার উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে অথবা জেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে।
যে ৪টি কাগজ থাকলেই ভোটার হওয়া যাবে 2026
Process of becoming a National ID Card
আপনি আপনার আবেদনপত্রটি রেডি করে সেটি আপনার উপজেলা নির্বাচন কমিশন অফিস অথবা জেলা নির্বাচন কমিশন অফিসে জমা দিয়ে ঐদিনই চাইলে আপনি ছবি তুলে বায়োমেট্রিক সম্পন্ন করে ভোটার কার্যক্রমটি সম্পন্ন করতে পারবেন। তো এখন মূল কথায় আসি আপনি ভোটার নিবন্ধন করতে গেলে মানে আপনি ভোটার হতে গেলে আপনার কি কি কাগজপত্র লাগবে এটি কিন্তু আপনি নির্বাচন কমিশন অফিসের ওয়েবসাইটে যেখান থেকে আবেদন করবেন সেখানে কিন্তু স্পষ্ট দেওয়া রয়েছে। আপনি অন্য কারো কাছ থেকে কোন যুক্তি নিতে হবে না।
অন্য কারো কাছ থেকে কোন বুদ্ধি নিতে হবে না। আপনার কি কি ডকুমেন্ট লাগবে সেটা আপনি নিজের স্বচক্ষেই দেখতে পারবেন।
বাংলাদেশে ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত ২০২৬
তো নতুন ভোটার আবেদন করার জন্য আপনাকে যেটা করতে হবে সার্ভিস.nidw.gov.bd এই ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। তো ওয়েবসাইটটিতে আসার পর আপনি একটু নিচে আসবেন। এখানটায় ডান পাশে দেখতে পাচ্ছেন সাধারণ জিজ্ঞাসার কিছু অপশন রয়েছে। আপনি এখান থেকে যেটা করবেন প্রথম লাইনে যেটি রয়েছে সাধারণ নির্দেশনাবলী। আপনি সাধারণ নির্দেশনাবলীর মধ্যে ক্লিক করবেন।
ক্লিক করার পর ঠিক এরকম একটি পেজ আপনার সামনে ওপেন হবে।
এখানটা দেখতে পাচ্ছেন অনেকগুলো অপশন কিন্তু দেওয়া রয়েছে। প্রথমে রয়েছে আপনার ভোটার নিবন্ধন হয়েছে কিন্তু জাতীয় পরিচয়পত্র পাননি। আপনি এটাতে ক্লিক করলে কিভাবে আপনি জাতীয় পরিচয়পত্র পাবেন সেটি কিন্তু তারা বলে দিবে। এবং দুই নাম্বার লাইনে রয়েছে, Process of becoming a National ID Card
আপনি কি নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র চান?
হ্যাঁ আমাদের কিন্তু এটাই প্রয়োজন। নিচে আরো কিছু অপশন রয়েছে এগুলি আপনি আপনার প্রয়োজন অনুসারে পড়ে নিতে পারেন।
১৮-র আগেই হাতে আসবে এনআইডি 2026
তো যেহেতু আমরা নতুন ভোটার নিবন্ধন সম্পর্কে কথা বলছি সেহেতু দুই নাম্বার যে লাইনটি রয়েছে
আপনি কি নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র চান?
ইয়েস আমি নতুন জাতীয় পরিচয়পত্র চাই। তো এক্ষেত্রে আমরা দ্বিতীয় নম্বর লাইনটিতে ক্লিক করব। ক্লিক করার পর এখানটা কিন্তু দেখতে পাচ্ছেন নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে তারাই দিয়ে রেখেছে। আপনি নতুন ভোটার হতে গেলে আপনার কি কি কাগজপত্র লাগবে। এখানে দেখতে পাচ্ছেন অনলাইনে পূরণকৃত ফর্মের প্রিন্ট কপি লাগবে।
আপনি যদি নতুন ভোটার হতে চান তাহলে অবশ্যই প্রথমে আপনাকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে এবং দুই নাম্বারে দেখতে পাচ্ছেন এসএসসি সনদ রয়েছে আপনার বয়স প্রমাণের জন্য। তো যদি আপনার এসএসসি সনদ থাকে সেক্ষেত্রে আপনি অবশ্যই এসএসসি সনদ দিয়ে ভোটার হবেন। তারপর তিন নাম্বার রয়েছে জন্মনিবন্ধন। আপনি ভোটার হতে গেলে কিন্তু অবশ্যই আপনার জন্মনিবন্ধন লাগবে আপনার বয়স প্রমাণের জন্য। আর এক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখবেন আপনার জন্মনিবন্ধনটি কিন্তু অবশ্যই অনলাইনে থাকতে হবে এবং ইংলিশেও থাকতে হবে বাংলায়ও থাকতে হবে।
সেক্ষেত্রে আপনি সেই জন্মনিবন্ধন দিয়েই ভোটার হতে পারবেন এবং তার নিচে রয়েছে পাসপোর্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স টিআইএন এবং তার নিচে রয়েছে ইউটিলিটি বিলের কপি অথবা বাড়িভাড়ার রশিদের কপি অথবা হোল্ডিং ট্যাক্স রশিদ।
বাংলাদেশে কত বছর বয়সে ভোটার হওয়া যায়
Process of becoming a National ID Card
এক্ষেত্রে আপনার ইউটিলিটি বিলের কপি অথবা আপনার হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ অথবা বাড়িভাড়া রশিদ এগুলি লাগার কারণ হচ্ছে আপনি যে এলাকায় সচরাচর থাকেন সে ঠিকানা প্রমাণের জন্য আপনার ইউটিলিটি বিলের কপি প্রয়োজন হতে পারে। তার নিচে রয়েছে নাগরিকত্ব সনদ।
প্রযোজ্য ক্ষেত্রে যদি আপনার নাগরিকত্ব মানে আপনি যেই এলাকায় বসবাস করেন সেটা চিহ্নিত করতে প্রবলেম হয় সেক্ষেত্রে কিন্তু অবশ্যই আপনার চেয়ারম্যান কর্তৃক নাগরিকত্ব সনদপত্র লাগবে এবং তার নিচে রয়েছে বাবা মা অথবা স্বামী স্ত্রীর NID কার্ডের কপি প্রযোজ্য ক্ষেত্রে এখন আপনারা দেখতে পাচ্ছেন যে তাদের ওয়েবসাইটে কিন্তু তারা দিয়ে রেখেছে আপনার কি কি ডকুমেন্ট লাগবে ভোটার হতে গেলে এবং নিচে দেখতে পাচ্ছেন লাল অক্ষরে লেখা রয়েছে আপনার বয়স যদি চলতি বছরের 1 জানুয়ারি বা তার পূর্বে 18 বছর হয়ে থাকে তাহলে আপনি ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবেন যদি আপনার কাছে এই ডকুমেন্টগুলো থাকে তাহলে
আপনি ভোটার হতে পারবেন।
তো এত কাগজপত্র কিন্তু আসলে ভোটার হতে লাগে না। আমি একটু শর্ট করে দিচ্ছি। আপনি ভোটার হতে গেলে আপনার কি কি ডকুমেন্ট লাগবে। প্রথমত হচ্ছে যদি আপনার এসএসসি পাসের সনদ থাকে সেক্ষেত্রে আপনি এসএসসি পাসের সনদ দিবেন। এবং এসএসসি পাসের সনদ থাকলেও কিন্তু আপনাকে জন্মনিবন্ধন দিতে হবে। যদি আপনার এসএসসি পাসের সনদ না থাকে মানে কোন ধরনের শিক্ষাগত যোগ্যতা সনদ না থাকে সেক্ষেত্রে আপনি জন্মনিবন্ধন দিয়ে কিন্তু ভোটার হতে পারবেন।
কত বছর হলে ভোটার হওয়া যাবে 2026
এবং আপনার পাসপোর্ট ড্রাইভিং লাইসেন্স এগুলির কিছুই দরকার নেই। আপনাকে কিন্তু ভোটার হতে গেলে অবশ্যই জন্মনিবন্ধন লাগবেই। এরপর আপনার ইউটিলিটি বিলের একটি কপি লাগবে। আপনার গ্যাস বিল, বিদ্যুৎ বিল অথবা আপনার বাড়িবাড়ার রশিদ অথবা আপনার হোল্ডিং ট্যাক্স এই ধরনের যেকোন একটি ডকুমেন্ট লাগবে আপনার ঠিকানা প্রমাণ করার জন্য।
এরপর আপনার বাসায় আপনার মা-বাবা ভাইবোন অথবা যদি নিকটাত্মীয় কারো NID কার্ড থেকে থাকে তাদের NID কার্ডের একটি কপি সঙ্গে নিয়ে যাবেন। এরপর আপনি যদি ইউনিয়নের বাসিন্দা হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে চেয়ারম্যান থেকে অথবা আপনি যদি পৌরসভার বাসিন্দা হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে আপনি পৌরসভা থেকে একটি নাগরিকত্ব সনদ নিয়ে যাবেন। তাহলেই আপনি খুব সহজেই মানে একদিনেই আবেদন করে একদিনেই কিন্তু ভোটার নিবন্ধন করে ফেলতে পারবেন।
Process of becoming a National ID Card 2026
তো আশা করছি যারা এখনো পর্যন্ত ভোটার হতে পারেননি বয়সের কারণে অথবা যেকোনো কাগজপত্রে জটিলতার কারণে আপনারা শুধুমাত্র এই চারটি কাগজ সংগ্রহ করেই ভোটার নিবন্ধন করতে পারবেন। কারণ আমাদের দেশে বর্তমান সময়ে NID কার্ড ছাড়া অনেক সেবা কিন্তু পাওয়া যায় না। আল্লাহ হাফেজ